সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ট্রাম্পকে নিয়ে তর্ক, মেয়েকে গুলি করে হত্যা বাবার

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে বিতর্কের জেরে মেয়েকে গুলি করে হত্যা করেছেন এক বাবা। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে এ ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) স্কাই নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আদালতের শুনানিতে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ তরুণী লুসি হ্যারিসনের মৃত্যুর আগে সেদিনই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে বাবার সঙ্গে তীব্র তর্ক হয়েছিল। চেশায়ারের ওয়ারিংটনের এ তরুণী ২০২৫ সালের ১০ জানুয়ারি ডালাসের কাছে প্রসপার এলাকায় বাবার বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় পুলিশ ঘটনাটিকে সম্ভাব্য ‘ম্যানস্লটার’ (অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ড) হিসেবে তদন্ত করছে। তবে কলিন কাউন্টির গ্র্যান্ড জুরি তার বাবা ক্রিস হ্যারিসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

চেশায়ার করোনার কোর্টে শুরু হওয়া তদন্ত শুনানিতে লুসির প্রেমিক স্যাম লিটলার জানান, সেদিন সকালে ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে ‘বড় ধরনের তর্ক’ হয়েছিল। তিনি বলেন, লুসি প্রায়ই তার বাবার বন্দুক রাখার বিষয়ে কথা বললে বিরক্ত হতেন।

লিটলার আদালতে বলেন, তর্কের একপর্যায়ে লুসি তার বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমি যদি ওই পরিস্থিতির মেয়ে হতাম এবং যৌন নিপীড়নের শিকার হতাম, তাহলে আপনার কেমন লাগত? জবাবে ক্রিস হ্যারিসন নাকি বলেন, তার সঙ্গে থাকা অন্য দুই মেয়ে থাকায় তেমন কিছু মনে হতো না। এতে লুসি খুবই বিচলিত হয়ে উপরে চলে যান।

লিটলার জানান, বিমানবন্দরে যাওয়ার প্রায় আধা ঘণ্টা আগে লুসি রান্নাঘরে ছিলেন। তখন তার বাবা তাকে হাত ধরে নিচতলার শোবার ঘরে নিয়ে যান। প্রায় ১৫ সেকেন্ড পর একটি জোরালো শব্দ শোনা যায়। পরে ঘরে ঢুকে দেখি লুসি বাথরুমের দরজার কাছে মেঝেতে পড়ে আছে। ক্রিস চিৎকার করছিলেন, অসংলগ্ন কথা বলছিলেন।।

আদালতে পাঠানো এক বিবৃতিতে ক্রিস হ্যারিসন জানান, তারা বন্দুকসংক্রান্ত একটি সংবাদ দেখছিলেন। তিনি মেয়েকে জানান যে তার কাছে একটি বন্দুক আছে এবং সেটি দেখতে চায় কি না জিজ্ঞেস করেন। পরে শোবার ঘরে গিয়ে তিনি গ্লক ৯ মিলিমিটার সেমি-অটোমেটিক পিস্তল দেখাতে গিয়ে হঠাৎ একটি গুলির শব্দ শোনেন।

তিনি জানান, আমি বুঝতে পারিনি কী ঘটেছে। লুসি সঙ্গে সঙ্গে পড়ে যায়। এ সময় ট্রিগারে তার আঙুল ছিল কি না, তা তিনি মনে করতে পারেননি।

শুনানিতে বলা হয়েছে, অতীতে অ্যালকোহল আসক্তির জন্য পুনর্বাসনে গিয়েছিলেন ক্রিস হ্যারিসন। ঘটনার দিন তিনি আবারও মদ্যপান করেছিলেন। এ দিন তিনি প্রায় ৫০০ মিলিলিটার মদ্যপান করেন।

এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি হ্যারিসনের নিঃশ্বাসে অ্যালকোহলের গন্ধ পান। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সেদিন দুপুরের আগে তিনি একটি দোকান থেকে দুই কার্টন শার্ডনে ওয়াইন কিনেছিলেন।

ক্রিস হ্যারিসন এক বিবৃতিতে তার কর্মকাণ্ডের পরিণতি মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এমন একটি দিন নেই যেদিন আমি এই ক্ষতির ভার অনুভব করি না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: